কার্টুন দেখে নকল করতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে শিশুর মৃত‍্যু মালদার গাজলে

28th February 2020 মালদা
কার্টুন দেখে নকল করতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে শিশুর মৃত‍্যু মালদার গাজলে


অন্য শিশুর মতো কার্টুন দেখার নেশা ছিল শিশুটির। এই ‌‌কার্টুন দেখে অভিনয় অভিনয় খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস জড়িয়ে মৃত এক শিশু। বাড়িতে তখন কেউ ছিলেন না। ঘরে একাই খেলছিল চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া ছেলেটি। পরে ভাই দেখতে পায় দাদার ঝুলন্ত দেহ। গলায় তার গামছা জড়ানো ছিল। পরে পরিবারের লোকেরা ছুটে আসেন। জানা গেছে, মৃত শিশুর নাম রজনীকান্ত সাহা। বছর নয়েকের রজনীর বাড়ি গাজোল থানার আলমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধোওয়াদিঘি গ্রামে। বাবা সমীর সাহা পেশায় মজুর। ছেলের অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর ঘটনায় শোকে পাথর হয়ে গেছেন মা সরস্বতী সাহা। রজনীরা ২ ভাই। সে বাড়ির বড়। স্থানীয় নার্সারি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। ভাই রণিও নার্সারিতে পড়াশোনা করে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রজনী একাই বাড়িতে খেলছিল। বাবা সমীর মালদা শহরে এসেছিলেন মজুরের কাজে। মা এলাকাতেই একটা কাজে গেছিলেন। ভাই বাইরে খেলছিল। ওই সময় ঘরে ঘরে খেলতে খেলতে এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে বলে জানা গেছে। খানিকক্ষণ বাদে ভাই রনি দাদার সঙ্গে খেলবে বলে ডাকতে এলে দেখ দাদার ঝুলন্ত দেহ। বাবা সমীর সাহা ছেলের মৃত্যুর জন্য টিভির আপত্তিজনক কার্টুনগুলিকে দায়ী করেছেন। বলছেন, ‘‌ছেলের টিভি দেখার নেশা ছিল। যখন তখন কার্টুন দেখতে বসে যেত। টিভি দেখেই অনেক কিছু অনুকরণ করার চেষ্টা করত সে। আমাদের সামনে আপত্তিজনক কিছু করলে আমরা বকাঝকা করেছি। কিন্তু এরকম ঘটনা যে ঘটিয়ে ফেলবে, আমরা তা কল্পনাতেও ভাবতে পারি না।’‌





Others News

MALDA. সাপ্তাহিক রাজধানী এক্সপ্রেস এর পরিষেবা প্রদানে উদ‍্যোগ রেলের

MALDA. সাপ্তাহিক রাজধানী এক্সপ্রেস এর পরিষেবা প্রদানে উদ‍্যোগ রেলের


দেবাশীষ পাল ( মালদা ) : -সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই মালদা  টাউন স্টেশন থেকে সাপ্তাহিক রাজধানী এক্সপ্রেসের পরিষেবা পাওয়া যেতে পারে। বৃহস্পতিবার রাতে মালদা রেলওয়ে ডিভিশনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে এমন আশার বাণী শোনালেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুন আরোরা। মালদা ডিভিশনের রেল লাইন, স্টেশনের পরিকাঠামো, যাত্রী নিরাপত্তা যথেষ্ট উন্নত বলে জানান তিনি। তার সঙ্গে এদিন রেল পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন মালদা রেলওয়ে ডিভিশনাল ম্যানেজার যতীন্দ্র কুমার, সিনিয়র ডিসিএম পবন কুমার প্রমুখ।