সà§à¦œà¦¿à¦¤ গৌড় ( হà§à¦—লী ) : আসছে বড়দিন। বড়দিনের কথা à¦à§‡à¦¬à§‡ পà§à¦°à¦¤à§à¦¯à§‡à¦•বছরই বাজারে আসে নতà§à¦¨-নতà§à¦¨ কেক। বড়দিনের আগে পà§à¦°à¦¾à§Ÿ মাস দেড়েক ধরে সেইসমসà§à¦¤ কেক তৈরীতে কারিগরদের সংখà§à¦¯à¦¾à¦“ বাড়ে বেকারী গà§à¦²à¦¿à¦¤à§‡à¥¤ সদর শহরের পাশাপাশি হà§à¦—লি জেলার বিসà§à¦¤à§€à¦°à§à¦£ পà§à¦°à¦¾à¦¨à§à¦¤ জà§à§œà§‡ রয়েছে বেকারি কারখানা। সেইসমসà§à¦¤ কারখানায় সারাবছর বিসà§à¦•à§à¦Ÿ, পাউরà§à¦Ÿà¦¿, কেক তৈরী হলেও বড়দিনের আগে মূলতঃ কেক তৈরীতেই বà§à¦¯à¦¾à¦¸à§à¦¤ থাকেন করà§à¦®à§€à¦°à¦¾à¥¤ হà§à¦—লির রাজহাটে সেরকমই à¦à¦•টি হাইজেনিক বেকারি কারখানায় জোরকদমে চলছে কেক তৈরীর কাজ। যদিও বড়দিনের আগে কমবেশী ৩০দিন à¦à¦–ানে অতিরিকà§à¦¤ করà§à¦®à§€ নেওয়া হলেও à¦à¦¬à¦¾à¦°à§‡ কাজের চাপ কম থাকায় করà§à¦®à§€ সংখà§à¦¯à¦¾ বাড়ানো হয়েছে মাতà§à¦° দিন দশেকের জনà§à¦¯à¥¤ হাওড়া-বরà§à¦§à¦®à¦¾à¦¨-পà§à¦°à§à¦²à¦¿à§Ÿà¦¾ পà§à¦°à¦à§ƒà¦¤à¦¿ à¦à¦²à¦¾à¦•া থেকে à¦à¦–ানে ডিসেমà§à¦¬à¦° মাসে à¦à¦•টৠবেশী রোজগারের আশায় কাজ করতে আসেন করà§à¦®à¦šà¦¾à¦°à§€à¦°à¦¾à¥¤ কিনà§à¦¤à§ à¦à¦¬à¦›à¦° করোনার জেরে বাজারের অবসà§à¦¥à¦¾ খারাপ। তাই কেকের চাহিদাও কম। ফলে দিন দশেকের বেশী কাজ মেলেনি অতিরিকà§à¦¤ করà§à¦®à§€à¦¦à§‡à¦°à¥¤ কারখানা করà§à¦¤à§ƒà¦ªà¦•à§à¦·à§‡à¦° বকà§à¦¤à¦¬à§à¦¯ করোনার জেরে à¦à¦¬à¦›à¦°à¦Ÿà¦¾ লকডাউনের মধà§à¦¯ দিয়েই গেলো। তাই সাধারন মানà§à¦·à§‡à¦° হাতে টাকা নেই। ফলে à¦à¦¬à¦›à¦° কেকের চাহিদা কম। তবে শà§à¦§à§ à¦à¦¬à¦›à¦°à¦‡ নয় সেই চার বছর আগে থেকে বড়দিনে কেক শিলà§à¦ª মার খাচà§à¦›à§‡à¥¤ কারন হিসাবে তিনি বলেন, পà§à¦°à¦¥à¦®à§‡ নোট বাতিল, তারপর খà§à¦šà¦°à§‹ পয়সা, গতবছর à¦à¦¨à¦†à¦°à¦¸à¦¿ আর à¦à¦¬à¦¾à¦° করোনার কারনে চার বছর ধরে বড়দিনের কেক শিলà§à¦ª ধà§à¦à¦•তে শà§à¦°à§ করেছে।